মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় প্যাথলজি বিভাগের এক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রোগী শনাক্তের পর সাত পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে তার পরীক্ষার রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে।
শনাক্ত রোগী একজন তরুণী (১৯)। তিনি উপজেলা সদরের মধ্য বাজারে অবস্থিত দত্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব টেকনিশিয়ান। চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল। তাকে চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এর আগে রোববার তার নমুনা সংগ্রহ করে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠায় কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। আক্রান্ত মেয়েটি অবিবাহিত। তার বাড়ি চান্দিনা উপজেলার এতবারপুর উত্তরপাড়া গ্রামে।
ওই রোগী শনাক্ত হওয়ায় সাতটি পরিবারকে লকডাউন করে চান্দিনা উপজেলা প্রশাসন। রোগী শনাক্ত হওয়ার পর দত্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দত্ত মেডিকেল হল নামের দুটি প্রতিষ্ঠানও লকডাউন করা হয়।
চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্নেহাশীষ দাশ জানান, আক্রান্ত রোগীর বাড়িসহ সাতটি পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে। এ ছাড়া দত্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দত্ত মেডিকেল হল নামের দুটি প্রতিষ্ঠানও লকডাউন করা হয়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রামপুলিশের মাধ্যমে লকডাউন করা পরিবারগুলোকে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করবেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, দেবিদ্বার উপজেলার নবিয়াবাদ গ্রামের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী জীবন কৃষ্ণ সাহার মৃত্যু হয়। গত ৪ এপ্রিল চান্দিনার দত্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কয়েকটি পরীক্ষা করিয়েছিলেন তিনি। এ সময় ওই মেয়েটি পরীক্ষার জন্য রোগীর রক্ত সংগ্রহ করেন।
অন্যদিকে করোনায় মৃত রোগী জীবন কৃষ্ণ সাহাকে চিকিৎসা দেয়া পল্লী চিকিৎসক অসিত সেন লিটন, তার ভাই ও কর্মচারীদের ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। পল্লী চিকিৎসকের জেএম সেন ফার্মেসিও বন্ধ করেছে প্রশাসন।
নগরকন্ঠ.কম/এআর